বন্দরের বহির্নোঙরে ২৭ জাহাজে পণ্য খালাস বন্ধ

প্রকাশিত: 9:51 AM, May 26, 2021

বন্দরের বহির্নোঙরে ২৭ জাহাজে পণ্য খালাস বন্ধ

নিউজ ডেস্কঃ  উত্তাল ঢেউয়ের কারণে আজ বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য স্থানান্তর পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার কিছুসংখ্যক জাহাজে কাজ হলেও আজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বন্দর ও বেসরকারি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বহির্নোঙরে পণ্যবাহী ২৭টি জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর বন্ধ রয়েছে। গতকাল বুধবার অবশ্য সাতটি জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর হয়েছিল। এসব জাহাজে সিমেন্টের কাঁচামাল ক্লিংকার ও চুনাপাথর, গম, চিনি, ডাল, ভুট্টা, পাথর, কয়লা, সার। তবে বন্দর জেটিতে অবস্থানরত জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানো হচ্ছে।

বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য স্থানান্তরের কাজ করে বন্দরের তালিকাভুক্ত শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর। বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম শামসুজ্জামান বলেন, সাগর উত্তাল থাকায় বুধবার সকাল থেকেই বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য স্থানান্তর বন্ধ রয়েছে।

আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ভারতের উত্তর ওডিশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সাধারণত তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেতের সময়ও বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর হয়। আবার কোনো সতর্কসংকেত না থাকলেও অতিবৃষ্টি ও উত্তাল ঢেউয়ের সময় কাজ বন্ধ রাখতে হয়। কারণ ঢেউ বেশি হলে বড় জাহাজের সঙ্গে ছোট জাহাজ পাশাপাশি রেখে পণ্য স্থানান্তর করা যায় না।

বন্দরসচিব ওমর ফারুক আজ বুধবার দুপুরে বলেন, বন্দর থেকে বহির্নোঙরে পণ্য খালাসের কাজ বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তরের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বেসরকারি সংস্থাগুলো। সাধারণত বৃষ্টির সময়ও পণ্যের সুরক্ষার জন্যও কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বন্দরের বহির্নোঙরে সবচেয়ে বেশি পণ্য খালাস হয়। প্রতিদিন গড়ে দেড় লাখ টনের বেশি পণ্য স্থানান্তর করা হয়। দেড় হাজারের বেশি ছোট জাহাজের মাধ্যমে এভাবে পণ্য স্থানান্তর হয়।