আশি লাখ টাকার আইফোন

নিউজ ডেস্কঃ একটি ফোনের দাম সর্বোচ্চ কত হতে পারে? এক-দেড় হাজার ডলার? বাজারে প্রচলিত ফ্ল্যাগশিপ আইফোনগুলোর দাম সাধারণত এমনই হয়ে থাকে। কিন্তু এবারে একটি ব্যবহৃত আইফোনের দাম উঠেছে এক লাখ ডলারের কাছাকাছি, বাংলাদেশি টাকায় যে অঙ্কটা প্রায় আশি লাখ টাকা!

আইফোনে চার্জিং পোর্ট হিসেবে থাকে লাইটনিং পোর্ট। অন্যান্য সব ব্র্যান্ড ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট ব্যবহার করলেও আইফোন রয়ে গেছে পুরনো লাইটনিং পোর্টেই। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য যা খুব একটা সুবিধাজনক নয়।

এই লাইটনিং পোর্টে বিরক্ত হয়ে তথা ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট না থাকায় ‘কেন পিলোনেল’ নামের সুইজারল্যান্ডের এক রোবটিকস ইঞ্জিনিয়ার নিজের ফোন নিয়ে কারিগরি করে তৈরি করে ফেলেছেন বিশ্বের সর্বপ্রথম ইউএসবি টাইপ-সি পোর্টওয়ালা আইফোন।

একটি আইফোন ১০ এর লাইটনিং পোর্ট বদলে তিনি সেখানে স্থাপন করেছেন টাইপ-সি পোর্ট। চার্জিং এবং ডাটা ট্র্যান্সফার- উভয়ই করা যাচ্ছে এই পোর্ট দিয়ে।

পুরো পদ্ধতিটি কীভাবে সম্পন্ন করেছেন তা নিয়ে কেন পিলোনেল সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন ইউটিউবে। বিশ্বের প্রথম ইউএসবি টাইপ-সি পোর্টওয়ালা আইফোন হিসেবে এটি বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। দুর্লভ বস্তু সংগ্রাহকদের নজরে আছে ফোনটি।

পরে পণ্য বেচাকেনার সাইট ‘ইবে’তে ফোনটি নিলামে তুলেছেন কেন পিলোনেল। ১১ নভেম্বর শেষ হবে এই নিলাম। মাত্র এক ডলার থেকে শুরু হওয়া নিলামে সর্বশেষ ডাক উঠেছে ৯০ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার!

কেনের দাবি, এটি একটি ‘প্রোটোটাইপ’ হিসেবেই তৈরি করেছেন তিনি। শর্ত হল, ক্রেতা এই ফোনটিকে খুলতে পারবে না, কিংবা রিস্টোর অথবা আপডেট করা যাবেনা। প্রতিদিন ব্যবহারের প্রাথমিক ডিভাইস হিসেবেও ব্যবহার করা যাবেনা এটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *