বাংলাদেশের নির্বাচনে কারো সহযোগিতার দরকার নেই: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: 12:43 PM, September 20, 2021

বাংলাদেশের নির্বাচনে কারো সহযোগিতার দরকার নেই: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃ দেশের নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী ও স্বাধীন উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কারো সহযোগিতা দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ ইতিপূর্বে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে অনেক নির্বাচন করেছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের প্রথম প্রকাশনা সাময়িকী ‘বিএসআরএফ বার্তা’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলব প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার যে কারো ব্যাংক হিসাব তলব করতে পারে। এমপি, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তাদেরও ব্যাংক হিসাব তলব হয়। তবে কেউ স্বচ্ছ থাকলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। কারণ এই ব্যাংক হিসাব থেকে যখন তাদের স্বচ্ছতা বেরিয়ে আসবে, তখন মানুষের সামনে তাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। তবে এটি কেন সংগঠনের নাম দিয়ে চাওয়া হলো এবং কেন এটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলো, সেটিই প্রশ্ন।

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের জন্য বিএনপি’র ডাকের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, বিএনপি সাড়ে ১২ বছর ধরে এই দাবি করে আসছেন। জনগণকে আহ্বান জানিয়ে আসছেন, কিন্তু জনগণ তো তাদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। সাড়া দেয়ার কোনো কারণও নাই। বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। বিএনপিকে বলবো, এ ধরনের ফাঁকাবুলি আউড়িয়ে লাভ হবে না।

‘সরকার ভয়ে খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিচ্ছে না’-মির্জা ফখরুলের এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির উচিত সরকারকে বহু আগে ধন্যবাদ দেয়া। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পাননি, আদালতও খালাস দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী আইনপ্রদত্ত ক্ষমতাবলে তার সাজা স্থগিত করেছেন। সেই কারণে তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। এজন্য বিএনপির শুকরিয়া আদায় করা প্রয়োজন, সরকারকে ধন্যবাদ দেয়া উচিত। সরকার যেকোনো সময় সাজা স্থগিতাদেশ বাতিল করলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে ফেরত যেতে হবে। এটিও বিএনপির মনে রাখা প্রয়োজন।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, আইপি টিভি রেজিস্ট্রেশন দেয়ার দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। ডোমেইন বরাদ্দ পায় বিটিআরসি থেকে। ডোমেইন বরাদ্দ দেয়ার আগে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর আমরা টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসির সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় একটি বৈঠক করবো।