টিকটক তারকা জিনিয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত: 5:19 AM, October 9, 2021

টিকটক তারকা জিনিয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিনোদন ডেস্কঃ  নগরীর পল্লবীতে তিন কলেজছাত্রী নিখোঁজের ঘটনার মামলায় ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে টিকটক তারকা জিনিয়া ওরফে বুলেটকে। এই টিকটক তারকার ব্যাপারে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন স্থানীয়রা।

মাদক সেবন, বেপরোয়া জীবন, বিলাসিতা আর একাধিক প্রেমের সম্পর্কের কারণে অন্ধকার জগতে পা বাড়িয়েছেন এই টিকটক তারকা। একটি সূত্র জানায়, তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াবা সেবন ও একাধিক প্রেমের কথা স্বীকার করেছেন টিকটক জিনিয়া।

স্থানীয় বাসিন্দা আলম বেপারি জানান, জিনিয়ার পরিবার আগে বস্তিতে ভাড়া থাকতো। এখন মিরপুর ১১ নম্বর এভিনিউ ফাইভের ১৫ নম্বর লাইনের একটি বাসায় ফ্ল্যাট নিয়ে ভাড়া থাকেন। কিছুদিন আগে তার বাবা মারা যান। তিনি কবিরাজি করতেন। কবিরাজি করতে গিয়ে অনেক লোককে জাদু-টোনা করেছেন। এজন্য স্থানীয়দের অনেকে তাকে ভালো চোখে দেখেন না।

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মজনু বলেন, ৩ ছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় ২ দিন আগে যখন এই মেয়েকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় তখন জানতে পারি ও কবিরাজের মেয়ে। টিকটক করে। তিনি বলেন, কবিরাজ বাবা মারা যাওয়ার পরই আরও বেপরোয়া জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন এ টিকটক তারকা। তার পরিবারে উপার্জনক্ষম কোনো ব্যক্তি নেই। বড় ভাই থাকলেও সে বেকার। জিনিয়া পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সবার ছোট। এলাকায় সবাই জানে ও টিকটক করে আর বিদেশে লোক পাঠায়। আবার মানুষকে বিভিন্ন জায়গায় চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়। ওর বড়বোনকেও কবিরাজি শিখিয়েছে ওর বাবা। ওই বোনের ইনকামে তাদের পরিবার চলে।

স্থানীয়রা জানান, জিনিয়া অনেক স্টাইলিশ। কয়েক দিন পরপরই নতুন নতুন ড্রেস পরে। ওর অনেক বয়ফ্রেন্ড। মাঝে মধ্যে বয়ফ্রেন্ডদের নিয়ে মহল্লায় ঝগড়া-বিবাদ হতো।

এদিকে নিজেকে বনফুল আদর্শ গ্রিন হার্ট কলেজের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে জিনিয়া তার ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের নাম লিখেছেন- জিনিয়া জামান রোজি ওরফে বুলেট। টিকটক এই তারকার প্রোফাইলের এক জায়গায় লেখা রয়েছে- ‘হোয়েন আই ডাই, ডিলিট অল অব মাই পিকচারস ইউ হ্যাব, ব্লক দিস প্রোপাইল অ্যান্ড সে- আল্লাহ হাফেজ।’ ২৫ সেপ্টেম্বর বাবাকে স্মরণ করতে গিয়ে এই টিকটক তারকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- ‘পৃথিবীর মানুষ কত যে হিংস্র সেটা বাবা মারা যাওয়ার পর বুঝা যায়।’