নিউজ ডেস্কঃ  ঈদের আগে শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ গতকাল বুধবার ঊর্ধ্বমুখী ছিল দেশের শেয়ারবাজার। এদিন ডিএসইতে ২০১টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে। দর হারিয়েছে ১০১টি শেয়ার। আর দর অপরিবর্তিত ছিল ৬৪টির।

সিএসইতে এদিন ১৯০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বাড়ে। এর বিপরীতে দর হারায় ৬৫টি শেয়ার।

অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭৫০ পয়েন্টে ওঠে। এ নিয়ে সর্বশেষ ১০ কার্যদিবসে সূচক বাড়ল ৩২৮ পয়েন্ট। সূচকের এ অবস্থান গত ২৫ জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ।

শুধু শেয়ারদর বা সূচকই নয়, বুধবার শেয়ার লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবারের তুলনায় এদিন ৫০ কোটি টাকা বেড়ে মোট লেনদেন ১ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা দাঁড়ায়।

বেশিরভাগ শেয়ারদর বাড়লেও সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত বেশ কিছু শেয়ারের দাম কিছুটা কমেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, লাফার্জ-হোলসিম সিমেন্ট ও রবি।

ডিএসইর খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বুধবার ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন, খাদ্য ও আনুসঙ্গিক, বস্ত্র খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে।

তবে বড় খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে বস্ত্র খাতের। খাতটির ৫৬ কোম্পানির মধ্যে ৪৮টিরই দর বেড়েছে। বিপরীতে মাত্র ২টির দর কমেছে, অপরিবর্তিত ছিল বাকি ৫ শেয়ারের দর। তাতে সার্বিকভাবে এ খাতের শেয়ারদর বেড়েছে পৌঁনে ৪ শতাংশ।

এদিন বীমা খাতের বেশিরভাগ শেয়ার দর হারিয়েছে। লেনদেন হওয়া ৪৯ কোম্পানির মধ্যে ১৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ২৮টির। তবে গড় দর কমেছে ০.২১ শতাংশ।

গত কয়েকদিন ধরে বীমা খাতের শেয়ারদরে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে সার্বিক লেনদেনে খাতটির আধিপত্য কমতে শুরু করেছে।

কয়েক দিন আগেও যেখানে ডিএসইর মোট লেনদেনে বীমা খাতের অবদান ৫০ শতাংশ ছিল, আজকে তা ছিল মোটের ১৯ শতাংশ। তবে মোট লেনদেনে এটাই ছিল একক খাত হিসেবে সর্বোচ্চ।

একক খাত হিসেবে লেনদেনে মোটের ১৫ শতাংশ লেনদেন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্যাংক। হটাৎ করে ব্র্যাক ব্যাংকের লেনদেন বৃদ্ধি এ খাতকে এগিয়ে দিয়েছে। খাতওয়ারি লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে বিবিধ খাত। যদিও এ খাতের প্রায় পুরো লেনদেন ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড ও ন্যাশনাল ফিড মিলে।